নরওয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন জর্ডান পিকফোর্ড। এই তারকা গোলরক্ষক ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছেন। তিনি পেছনে ফেলেছেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে। নরওয়ের বিপক্ষের এই ম্যাচটি ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে পিকফোর্ডের ১৮তম ম্যাচ, যা ইংল্যান্ডের কোনো পুরুষ ফুটবলারের জন্য এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। মজার বিষয় হলো, একই ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা পেয়ে শিলটনের ১৭ ম্যাচের রেকর্ড স্পর্শ করেছেন বর্তমান অধিনায়ক হ্যারি কেইনও।
বিশ্বকাপের মঞ্চে জর্ডান পিকফোর্ডের পথচলা শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। একই আসরে সুইডেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ২-০ গোলের জয়ে তিনি বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ক্লিন শিটের দেখা পেয়েছিলেন। এবারের আসরের ১৮তম ম্যাচের আগ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলা ১৭ ম্যাচে তিনি মোট ৬টি ক্লিন শিট রেখেছেন। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষকদের মধ্যে বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি ক্লিন শিট রয়েছে কেবল পিটার শিলটনের, যার সংখ্যা ১০টি। এছাড়া কিংবদন্তি গর্ডন ব্যাংকসেরও পিকফোর্ডের সমান ৬টি ক্লিন শিট রয়েছে।
গোল বাঁচানোর পরিসংখ্যানেও পিকফোর্ড বেশ উজ্জ্বল অবস্থানে রয়েছেন। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মোট ৩২টি সেভ করেছেন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে এই তালিকায় তার ওপরে আছেন কেবল গর্ডন ব্যাংকস এবং পিটার শিলটন। ব্যাংকসের সেভ সংখ্যা ৩৩টি এবং শিলটনের ৫৪টি। তবে চলতি আসরেই গর্ডন ব্যাংকসকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে যাওয়ার দারুণ সুযোগ রয়েছে এভারটনের এই তারকা গোলরক্ষকের সামনে।