রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
সুনামগঞ্জে ‘নাগরিক তথ্য অধিকার ফোরাম’ জেলা কমিটি গঠিত; সভাপতি মুজাহিদুল, সম্পাদক মিলন সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব-প্রধানমন্ত্রী অক্টোবরে শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের ১৪ হাজার ৩৮৪ সহকারী শিক্ষকের যোগদান পঞ্চগড়ে অভিযান চালিয়ে জগন্নাথপুরের হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৮ সম্পত্তি আত্মসাদের চেষ্ঠায় প্রবাসীর বৃদ্ধ পিতার উপর হামলা ও ছিনতাই, গ্রেপ্তার ২ হাওর ও দুর্গম এলাকায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন পরিকল্পনায় সরকার-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার ধোপাজান নদী রক্ষায় মতবিনিময় সভা, ২১ সদস্যের কমিটি গঠন শাল্লার উজানগাঁও থেকে বিট্রিশ আমলের মেগনেট উদ্ধার অস্তিত্বই নেই প্রতিষ্ঠানের, একই নামে দুই প্রকল্প দেখিয়ে বরাদ্দ উত্তোলনের অভিযোগ ধোপাজান চলতি নদী রক্ষায় ২১ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন জগন্নাথপুরে মাদক মামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার চেলা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: ২৬ জনের বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা হামহাম জলপ্রপাতে আটকে পড়া ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১০ শিক্ষার্থী উদ্ধার ৮ ধরনের পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বিএসটিআই, পণ্যগুলো কী

গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

সুনামগঞ্জ জার্নাল :
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকির ভেতর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার - Sunamganj Journal

স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জে লালপুর গুচ্ছগ্রামে আমির হামজা নামের ৮ মাসের এক শিশুর মরদেহ সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহজনক অবস্থায় চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিযনের গুচ্ছগ্রামে এঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রতন শেখ পিপিএম এর নেতৃত্বে এস আই মোহন দাসসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সেফটি ট্যাংকির ভেতর থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আট মাস বয়সী শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানান, নিহত শিশুটির মা সাবিকুন নাহার সকালে ঘুম থেকে শিশুটিকে তার পিতার কাছে ঘুমে রেখে শ্বশুরবাড়িতে যান। সকাল ৭টায় শিশুটির পিতা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে শিশু ছেলেটিকে বিছানায় না দেখে খোজাঁখুজি শুরু করেন। এক পর্যায়ে গুচ্ছগ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম মিয়া ট্যাংকির কাছে গিয়ে ঐ শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর মডেল থানার ওসি পিপিএম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্যাংকির ভেতরে শিশুটির লাশ দেখতে পান। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। এঘটনায় পুলিশ চারজনকে হেফাজতে আনা সন্দেহভাজন নিহত শিশুটির পিতা সাব্বিরের হোসেনের সাথে পূর্ববিরোধ থেকেই এই হত্যাকান্ডের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। পুলিশ হেফাজতে নেয়া ব্যক্তিরা হলেন, লালপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন(৩০), আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩৭), মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম(৫৫) ও জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগম(৩৫)।

ওসি জানান, এই চারজনকে সন্দেহজনক অবস্থায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছে। এই ঘটনায় শিশুটির পিতা অবিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© সুনামগঞ্জ জার্নাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102