নিজস্ব প্রতিবেদক: এবারের বন্যা ২০১৭ সালের চাইতে বেশি হয়েছে। কিন্তু বাঁধের কাজের মান ভালো হওয়ার কারণে সেই ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয় নাই। যেটুকু হয়ে সেই ক্ষতিটা পার্সেন্টেজে আসবে না। সাংবাদিকরা ফুলাইয়া-ফাঁপাইয়া রিপোর্টিং না করলে ধান চালের দাম বাড়বে না। সুনামগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।
বুধবার দুপুরে বাঁধ ভেঙে ফসলহানি হয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিদর্শন ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো দেখতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের রিভার ভিউয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশের খাদ্য শস্যের মজুতে এর কোনো প্রভাব পরবে না। আপনারা এই বিষয়টাকে যদি ফুলাইয়া ফাপাইয়া রিপোর্ট করেন তাহলে অসাধু ব্যবসায়ীরা বিরাট একটা সুযোগ পেয়ে বসবে। এবং চালের দাম বাড়িয়ে দেবে ও খাদ্যশস্যের ওপর প্রভাব ফেলে দেবে।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের বলেন, ‘এবার কাজের সময় দেশের অন্যান্য জায়গা থেকেও অফিসারদের এনে সুনামগঞ্জে রেখেছি।’ তদারকির কোনো ঘাটতি ছিল না। যেসব কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অবশ্যই তাঁদের সহযোগিতা করা হবে। ইতিমধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা রয়েছে। তদন্তে যেই দোষী হবে তাদের শাস্তি পেতেই হবে।’
শেষে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ ফসলরক্ষা বাঁধগুলো পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, পানি উন্নয়ন বোর্ড মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ, জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাঈদ প্রমুখ।