রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
ফুটবল জাদুকরের শেষ অধ্যায় ‘শিশুদের নোবেল’খ্যাত আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত দোয়ারাবাজারের জামিউল হাসান আরাফ তাহিরপুরে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরি, হাফিজুর রহমান নামের সার ব্যবসায়ী আটক ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে জসনে জুলুছে ইসলামে উগ্রবাদ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই রাজাপুরা পীরের আহ্বান ‘সুনামগঞ্জস্থ শাল্লা কল্যাণ সমিতি’র সভপতি এডভোকেট মামুন ও সম্পাদক অশেষ তালুকদার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সুনামগঞ্জের প্রতিটি সংসদীয় আসনে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা-প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী সুনামগঞ্জে দৈনিক জনতা পত্রিকার ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়নের আহ্বান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাছ কাটা বন্ধ না হলে বন বিভাগের সামনে অবস্থানের হুঁশিয়ারি মাদক চোরাচালান উদ্ধারকারী এসআই অভিজিৎ ভৌমিক, পেলেন বিশেষ সম্মাননা দিরাইয়ে দুই শিশু সন্তান হত্যার ঘটনায় বাবা গ্রেফতার, হত্যার কথা স্বীকারের দাবি ইউএনও জনি রায়ের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল দশম শ্রেণির ছাত্রী চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, কর্মচারী রক্তাক্ত; আটক ১ সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ দোয়ারাবাজার থানার এসআই রিফাত

ধ্বংসস্তূপ থেকে মিরাজ-আফিফের ব্যাটে অবিশ্বাস্য জয়

সুনামগঞ্জ জার্নাল :
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
ধ্বংসস্তূপ থেকে মিরাজ-আফিফের ব্যাটে অবিশ্বাস্য জয় - Sunamganj Journal

অনলাইন ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিপক্ষে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪ উইকেটের জয় বাগিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। ৪৫ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর আফিফ হোসেন ও মেহেদী মিরাজের ব্যাটে ৭ম উইকেট জুটিতে রেকর্ড গড়ে জয় ছিনিয়ে নেয় টাইগাররা।

দলের বিপর্যয়ের সময়ে হাল ধরে ফিফটি তুলে নেন দুই ব্যাটার। আফগানিস্তানের দেয়া ২১৬ রানের টার্গেটে দলকে স্বস্তির সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যান।

দৃঢ় হাতে দলকে এনে দেয়া এমন জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তরা শেষ কবে দেখেছে সেটি মনে করা কষ্টসাধ্য। ২১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪৫ রানে ৬ টপ অর্ডারসহ চার সিনিয়রকে হারিয়ে যখন দিশেহারা টাইগার শিবির, সে সময় দলকে শক্তহাতে টেনে তুলে জয় বাগিয়ে নেয়াটা খুব একটা সহজ বিষয় নয়।

সেই কাজটি করে দেখিয়েছেন আফিফ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ মিলে। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে সপ্তম উইকেট জুটিতে রেকর্ড রান করে দলকে এনে দিলেন ৪ উইকেটের অনাবদ্য এক জয়।

২১৬ রানের আপাতদৃষ্টিতে সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে দুর্দান্ত শুরু করেন দুই টাইগার ওপেনার; তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস। শুরু দেখে বোঝা যায়নি দ্রুতই বাংলাদেশ পড়তে যাচ্ছে বিপাকে।

দলীয় ১৩ রানে লিটন দাসকে দিয়ে শুরু। ফজল হক ফারুকির শিকার হয়ে এক রানে ফেরেন তিনি। সেই ওভারের পঞ্চম বলে সাজঘরে ফিরতে হয় তামিম ইকবালকে।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ফারুকি তৃতীয় আঘাত হানেন বাংলাদেশের শিবিরে। এবারে তার এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে ৩ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় মুশফিকুর রহিমকে।

১৭৪ রানের রেকর্ড জুটি গড়ে দলকে ৪ উইকেটের দুর্দান্ত এক জয় এনে দেন মিরাজ ও আফিফ। মিরাজ ৮১ ও আফিফ ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

আফগানিস্তানের বিপক্ষে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪ উইকেটের জয় বাগিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ। ৪৫ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর আফিফ হোসেন ও মেহেদী মিরাজের ব্যাটে ৭ম উইকেট জুটিতে রেকর্ড গড়ে জয় ছিনিয়ে নেয় টাইগাররা।

দলের বিপর্যয়ের সময়ে হাল ধরে ফিফটি তুলে নেন দুই ব্যাটার। আফগানিস্তানের দেয়া ২১৬ রানের টার্গেটে দলকে স্বস্তির সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যান।

দৃঢ় হাতে দলকে এনে দেয়া এমন জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তরা শেষ কবে দেখেছে সেটি মনে করা কষ্টসাধ্য। ২১৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৪৫ রানে ৬ টপ অর্ডারসহ চার সিনিয়রকে হারিয়ে যখন দিশেহারা টাইগার শিবির, সে সময় দলকে শক্তহাতে টেনে তুলে জয় বাগিয়ে নেয়াটা খুব একটা সহজ বিষয় নয়।

সেই কাজটি করে দেখিয়েছেন আফিফ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ মিলে। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের হয়ে সপ্তম উইকেট জুটিতে রেকর্ড রান করে দলকে এনে দিলেন ৪ উইকেটের অনাবদ্য এক জয়।

২১৬ রানের আপাতদৃষ্টিতে সহজ লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে দুর্দান্ত শুরু করেন দুই টাইগার ওপেনার; তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস। শুরু দেখে বোঝা যায়নি দ্রুতই বাংলাদেশ পড়তে যাচ্ছে বিপাকে।

দলীয় ১৩ রানে লিটন দাসকে দিয়ে শুরু। ফজল হক ফারুকির শিকার হয়ে এক রানে ফেরেন তিনি। সেই ওভারের পঞ্চম বলে সাজঘরে ফিরতে হয় তামিম ইকবালকে।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ফারুকি তৃতীয় আঘাত হানেন বাংলাদেশের শিবিরে। এবারে তার এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে ৩ রান করে মাঠ ছাড়তে হয় মুশফিকুর রহিমকে।

অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি ইয়াসির আলি রাব্বি। ফারুকির চতুর্থ শিকার হয়ে আউট হওয়ার আগে ৫ বলে কোনো রান করতে পারেননি। ফলে ১৮ রান তুলতে চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

বেশি দূর যেতে পারেননি সাকিব আল হাসানও। মুজিব-উর-রেহমানের বলে প্লেইড অন হয়ে যান তিনি। ১০ রান করে অষ্টম ওভারে আউট হন তিনি।

২৮ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশের ত্রাতা হয়ে আসে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেনের জুটি। কিন্তু রাশিদ খান নিজের প্রথম ওভারে মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটান বাংলাদেশের।

এরপর দলকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্বভার কাঁধে তুলে নেন আফিফ ও মিরাজ। ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করে দলীয় স্কোর ১০০ পার করেন দুজন।

উইকেট কামড়ে ধরে দলকে দিতে থাকেন জয়ের সুবাস। বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সপ্তম উইকেটের রেকর্ড জুটি গড়ে দলকে এনে দেন ৪ উইকেটের দুর্দান্ত এক জয়। মিরাজ ৮১ ও আফিফ ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

ক্রিকেটের ইতিহাসে বর্তমানে এই দুইজনের ১৭৪ রানের জুটিটি সপ্তম উইকেটের দ্বিতীয় সেরা জুটি। বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ।

ম্যাচ সেরা হন মেহেদী মিরাজ।

এই জয়ে ৩ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল স্বাগতিকরা। একই সঙ্গে ১০ পয়েন্ট পাওয়ায় বর্তমানে সুপার লিগের টেবিলের শীর্ষে থাকা ইংল্যান্ডের সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান পাঁচে নামিয়ে আনলো লাল সবুজ জার্সিধারীরা।

আফগানিস্তানের হয়ে চারটি উইকেট নেন ফজল হক ফারুকি। একটি করে উইকেট যায় মুজিব-উর-রেহমান ও রাশিদ খানের ঝুলিতে।

এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১১ রানে প্রথম উইকেট হারায় সফরকারীরা।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে মুস্তাফিজুর রহমানকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে টাইমিং মেলাতে না পেরে তামিমের হাতে ধরা দেন আফগান এই ব্যাটসম্যান। মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১৪ বলে ৭ রানের ইনিংস।

এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে দেখেশুনে ব্যাট চালাতে থাকেন ইবরাহিম জাদরান ও রহমত শাহ। টাইগার শিবিরে ক্যাচ মিসের মহড়া চলার সুযোগে বড় শট খেলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন এই দুই ব্যাটসম্যান।

কিন্তু শরিফুল ইসলাম এনে দেন ব্রেক থ্রু। ১৯ রানেই থামিয়ে দেন ইবরাহিম জাদরানকে।

আফগান শিবিরে ম্যাচের ২২তম ওভারে খরুচে তাসকিন আহমেদ তুলে নেন নিজের প্রথম উইকেট। উইকেটে থিতু হয়ে বসা রহমত শাহকে ফিরিয়ে চাপে ফেলেন আফগানিস্তানকে।

মন্থরগতিতে ব্যাট করতে থাকা আফগানিস্তান শিবিরে চতুর্থ আঘাত হানেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদিকে ২৮ রানে ফেরান তিনি।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগে মোহাম্মদ নাবি ২০ রান করে ফেরেন তাসকিনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে। সাজঘরে যখন তিনি ফেরেন সে সময় স্কোরবোর্ডে রান ১৬৫।

উইকেট আগলে রেখে ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নেন নাজিবুল্লাহ জাদরান। দৃঢ় হাতে সচল রাখেন দলের রানের চাকা।

শুরুটা ভালো করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বেশ খরুচে হয়ে উঠতে থাকেন সাকিব আল হাসান। নিজের প্রথম উইকেটের দেখা তিনি পান ম্যাচের ৪৫তম ওভারে এসে।

ব্যক্তিগত নবম ওভারের তৃতীয় বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ১৭ রানেই থামিয়ে দেন গুলবাদিন নাঈবকে। দুই বল বাদেই রাশিদ খানকে পরিণত করেন নিজের দ্বিতীয় শিকারে।

অন্যপ্রান্তে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন নাজিবুল্লাহ। ম্যাচের ৪৯তম ওভারে তাকে ৬৭ রানে থামিয়ে দেন শরিফুল।

শেষ পর্যন্ত সব উইকেট হারিয়ে ২১৫ রানের পুঁজি নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

বাংলাদেশের হয়ে তিনটি উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, সাকিব আল হাসান ও শরিফুল ইসলাম। একটি উইকেট ঝুলিতে পোরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© সুনামগঞ্জ জার্নাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102