নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকার ধামরাইয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ে করায় প্রেমিক সাইফুল ইসলামের জিহ্বা ব্লেড দিয়ে কেটে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকার বিরুদ্ধে।
এঘটনায় প্রেমিকা শারমিন আক্তার, তার বাবা, মা ও ভাইসহ চার জনকে আটক করেছে পুলিশ। আহত প্রেমিক সাইফুল ইসলাম স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়ন এলাকার ফড়িঙ্গা গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।
এর আগে সকালে একই গ্রামে প্রেমিকা শারমিন আক্তারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত সাইফুল ইসলাম রোয়াইল ইউনিয়নের ফরিঙ্গা গ্রামের রহমত আলীর ছেলে। প্রেমিকা শারমিন আক্তারও একই গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে।
আটকেরা হলেন, প্রেমিকা শারমিন আক্তা, তার বাবা শফিকুল ইসলাম, মা পানকা বেগম ও ভাই ফারুক হোসেন।
পুলিশ জানায়, ফড়িঙ্গা গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে শারমিন আক্তারের (২৫) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে একই গ্রামের প্রেমিক সাইফুল ইসলামের। বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারমিনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন সাইফুল। কিন্তু বিয়ে না করে দিনের পর দিন সময়ক্ষেপণ করতে থাকলে প্রেমিকা শারমিন শনিবার সকালে প্রেমিক সাইফুলকে তার বাড়িতে ডেকে নেয়। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রেমিকা শারমিন কৌশলে ব্লেড দিয়ে প্রেমিক সাইফুলের জিহ্বা দ্বিখণ্ডিত করে ফেলেন।
পুলিশ আরও জানায়, প্রেমিকার পরিবারের সদস্যরা প্রেমিক সাইফুল ইসলামকে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে সাইফুল নিস্তেজ হয়ে পড়লে মৃত ভেবে তারা তাকে ঘরের মেঝেতে ফেলে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার পর পুলিশকে ঘটনাস্থলে গিয়ে
প্রেমিকের কেটে রাখা জিহ্বা জব্দ করেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ফড়িঙ্গা গ্রাম থেকে পুলিশ প্রেমিকা শারমিনসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে আটক করে।
ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাশ বলেন, প্রেমিকের জিহ্বা কেটে ফেলা ও মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিকাসহ তার পরিবারের চার জনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। এঘটনায় রাতেই একটি মামলা দায়ের হবে।