আল আমিনঃ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সুনামগঞ্জের সকল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। চারিদিকে হাহাকার চলছে। কয়েকজন মানুষ দেখলেই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষরা ত্রাণ মনে করে ভিড় জমান। কিন্তু তাদের এই মুহুর্তে ত্রাণের প্রয়োজন। শহরে অনেক ত্রাণ দেয়া হচ্ছে আর যে পাচ্ছে একবারের জায়গায় ১০ বার। আর কেউ একবারও পাচ্ছে না।
আমি শহরের বনানীপাড়ায় থাকি। বন্যার পানি ছয় দিন ছিল। আমার দেখা ছয়দিনের মধ্যে একদিনও কেউ একটা খবর নেয়নি। ত্রাণ তো দূরের কথা। আমাদের সাধ্য মতো যাকে যতটুকু সহযোগিতা দরকার চেষ্টা করেছি। অথচ. জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনের কেউ এই পাড়ায় সহযোগিতা তো দূরের কথা এক চামিচ খিচুড়ি নিয়ে আসেনি। আমি অনেকের সাথে যোগাযোগ করেছি বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহযোগিতা করার জন্য। অনেকে সহযোগিতা করেছেন।
তবে বিশেষ করে সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ভাইয়ের কাছে কৃতজ্ঞতা বনানী পাড়ায় সহযোগিতার হাত বাড়ানোর জন্য৷ এক কথায় বলা যায় একজন মানবিক পুলিশ। আজকে রাতে বনানীপাড়ার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সহযোগিতা করতে পেরেছি।
সুনামগঞ্জে অনেক ত্রাণ আসতেছে কিন্তু প্রকৃত মানুষরা পায় না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একমাত্র গণমানুষকে দিচ্ছে। তাদের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশও পিছিয়ে নেই। পুলিশও ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে। তাদেরকে হাজারো সালাম। আর সুনামগঞ্জে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রাজনৈতিক, সামাজিকসহ লোকজন ত্রান সামগ্রী দিচ্ছেন। তাদেরকে বলবো আপনারা শেয়ালের কাছে মুরগি বাগি দিয়েন না। বাংলাদেশের মানুষের আস্তার প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বা পুলিশের কাছে আপনাদের ত্রাণ পৌঁছে দেন তারা প্রকৃত মানুষকে পৌছে দিবে।
অনেকে লোকলজ্জার ভয়ে বলতে পারেননা আমরা তাদেরকে ত্রাণ ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছি। ইনশাল্লাহ এই সহযোগিতার হাত অব্যাহত থাকবে। কারো কোন সহযোগিতা লাগলে যোগাযোগ করতে পারেন। পরিচয় গোপন থাকবে।
আপনারা কেউ এই সহযোগিতায় শরীক হতে চাইলে সহযোগিতা পাঠাতেন পারেন এই নাম্বারে…
আমার নাম্বারঃ
০১৭১৫-২৯৮৩২৭ (বিকাশ ও নগদ পার্সোনাল)