শাল্লা প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা সদরের ডুমরা গ্রামের শশাংক চৌধুরীর ছেলে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি চয়ন চৌধুরী এলজিইডি’র সিবিআরএমপি প্রকল্পের রাস্তার পাকা ব্লক দিয়ে নিজের বসত বাড়ির প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, ডুমরা হতে মুক্তারপুর ব্রীজ পর্যন্ত ইতিপূর্বে এলজিইডি’র সিবিআরএমপি প্রকল্প পাকা ব্লক দিয়ে রাস্তা নির্মাণ
করেছিল। আর ওইসব ব্লকই চয়ন চৌধুরীসহ পার্শ্ববর্তী বাড়ির আরো লোকজন তাদের বাড়ির কাজে ব্যবহার করেছে।
সরজমিনে গেলে এপ্রতিবেদককে দেখেই পার্শ্ববর্তী বাড়ির মহিলারা বলেন, এই ব্লক গুলো যা দেখছেন, তা সবই বড়বাড়ির লোকদের কাজ। তারা এই গ্রামে যা কিছুই করে, আমরা সাধারণ মানুষের মূখ খোলার সাহস নেই। আপনারা যা
দেখছেন, তাই লিখে নেন। চয়ন চৌধুরীর বাড়ি ঘুরে দেখা যায়, হাজার হাজার সরকারী পাকা ব্লকে তৈরী করা হয়েছে প্রতিরক্ষা দেয়াল। যাতে বর্ষার ঢেউ তার বসত বাড়ির ক্ষতি করতে না পারে। তাছাড়া ওইসব ব্লকে বেষ্টিত স্থানে চয়ন চৌধুরী তার গবাদি পশুর খাদ্য (খড়) স্তুপ করে রেখেছেন।
এছাড়াও বাড়িতে যত্রতত্র ভাবে ফেলে রাখা হয়েছে আরো অনেক সরকারী ব্লক। মুক্তিযোদ্ধা দোলগোবিন্দ দাস, অধীর চন্দ্র দাস এবং ডা. নিকুঞ্জবিহারী দাসের বাড়িসহ অনেকের বাড়িতেই ওইসব ব্লক দেখা যায়।
এবিষয়ে চয়ন চৌধুরী বলেন, আমি সেলুনে আছি, দেখা করবো। পরে তিনি সরাসরি কথা বলে বলেন, আমার বাড়িতে সরকারী ব্লক আছে। এগুলো আমি রাস্তা থেকে এনেছিলাম। প্রয়োজনে ফিরিয়ে দেবো।
এব্যাপারে শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু তালেব বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আজ জেনেছি,
ইঞ্জিনিয়ারসহ সরজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবো।