নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জলমহাল লুটপাটের মিথ্যা মামলায় দিরাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের দিরাই উপজেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান লিটনকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছে দিরাই ও শাল্লা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
শুক্রবার সকালে মানবজমিনের শাল্লা প্রতিনিধি পিসি দাস ও আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি বিপ্লব রায়, যায়যায় দিনের প্রতিনিধি দিলুয়ার হোসেন, সিলেটের ডাকের প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান, আমার সংবাদের প্রতিনিধি পাবেল আহমদ, আরসি দাস, শিব্বির আহমদ তালুকদার উদ্দেশ্যমূলক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তারা বলেন, এই ঘটনার সাথে সাংবাদিক জিয়াউর রহমান লিটনের কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। তারপরও তাকে হয়রানি করার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে জড়িয়ে ভূয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। এমন নিন্দিত কাজ স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি স্বরুপ উল্লেখ করে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে নিঃশর্ত ভাবে সাংবাদিক লিটনকে মুক্তির দাবি জানান। অন্যথায় সাধারণ জনগনকে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারি দেন শাল্লার মূলধারার সংবাদকর্মীরা।
এছাড়াও দিরাই প্রেসক্লাবের সদস্যরাও জিয়াউর রহমান লিটনের মুক্তির দাবী জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, দিরাইয়ের কচুয়া নামক স্থানে কালনী নদীর পাশে একটি প্রভাবশালী মহল নিয়মনীতি না মেনে অবৈধভাবে ঐ গ্রামের হিন্দু পরিবারের রেকর্ডকৃত জলমহাল জোরপূর্বক ভোগ করে আসছিল। এতে তিনি ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ২ বার দিরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে স্থানীয় মেয়রসহ বিশিষ্টজনেরার মধ্যস্থতার বিষয়টি সুরাহার ব্যবস্থা করা হলেও দিরাইয়ের সাবেক মেয়র ট্রিপল মার্ডার মামলার আসামি মোশাররফ মিয়ার অপচেষ্টায় এটি বেস্থে যায়। পরে বিষয়টি নিয়ে দিরাই প্রেসক্লাবকে অবহিত করলে দিরাইয়ের সংবাদকর্মীরা এসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সংবাদ করার প্রস্তুতি নেন। এমন খবরে তড়িঘড়ি করে জলমহাল ভোগকারী মোশাররফ মিয়ার ভাতিজা রায়হান গংরা সংবাদ না করার জন্য সাংবাদিক দের নানাভাবে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতে তড়িঘড়ি করে সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করতে সাজানো মামলা দিয়ে সাংবাদিক লিটনকে গ্রেফতার করানো হয়।সাংবাদিক লিটনের মুক্তি চেয়ে,গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান দিরাই প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দরা।