সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম ::
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে জসনে জুলুছে ইসলামে উগ্রবাদ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই রাজাপুরা পীরের আহ্বান ‘সুনামগঞ্জস্থ শাল্লা কল্যাণ সমিতি’র সভপতি এডভোকেট মামুন ও সম্পাদক অশেষ তালুকদার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সুনামগঞ্জের প্রতিটি সংসদীয় আসনে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা-প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী সুনামগঞ্জে দৈনিক জনতা পত্রিকার ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়নের আহ্বান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাছ কাটা বন্ধ না হলে বন বিভাগের সামনে অবস্থানের হুঁশিয়ারি মাদক চোরাচালান উদ্ধারকারী এসআই অভিজিৎ ভৌমিক, পেলেন বিশেষ সম্মাননা দিরাইয়ে দুই শিশু সন্তান হত্যার ঘটনায় বাবা গ্রেফতার, হত্যার কথা স্বীকারের দাবি ইউএনও জনি রায়ের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল দশম শ্রেণির ছাত্রী চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, কর্মচারী রক্তাক্ত; আটক ১ সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ দোয়ারাবাজার থানার এসআই রিফাত তাহিরপুরে হাওরে বর্জ্য ফেলায় জরিমানা, অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ৮ নৌকা ধ্বংস সিনিয়র সাংবাদিক আবেদ মাহমুদ চৌধুরীর স্মরণসভা সুনামগঞ্জে ‘নাগরিক তথ্য অধিকার ফোরাম’ জেলা কমিটি গঠিত; সভাপতি মুজাহিদুল, সম্পাদক মিলন

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি ইকবাল

সুনামগঞ্জ জার্নাল :
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১
কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি ইকবাল - Sunamganj Journal

অনলাইন ডেস্ক: কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘির পাড়ের পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখার ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। ওই ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন (৩২)।

ইকবাল নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দ্বিতীয় মুরাদপুর-লস্করপুকুর এলাকার নূর আলম ওরফে আলমের ছেলে। নূর আলম পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। তাকে ধরতে জোর অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ইকবাল হোসেনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ইকবাল হোসেন মাদকাসক্ত ব্যক্তি। তবে তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কিনা, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদও একজনকে চিহ্নিত করার বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি নাম প্রকাশ করেননি।

বুধবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পুলিশ সুপার বলেছেন, পুলিশের একাধিক সংস্থার তদন্তে এই ঘটনার অগ্রগতি হয়েছে। ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এদিকে, ইকবালের সহযোগী হিসেবে এ ঘটনায় অন্তত তিন জনকে এরইমধ্যে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মনে করছেন, ইকবাল গ্রেপ্তার হলেই এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা চলাকালে গত ১৩ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘির পাড়ের ওই পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ পাওয়ার অভিযোগ উঠে। এ ঘটনার কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার সৃষ্টি হয়। সেদিনের ঘটনার পর গত এক সপ্তাহ ধরে ঢাকা ও কুমিল্লা পুলিশের কয়েকটি দল তদন্তে নামে। তারা ঘটনাস্থলের আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর ইকবাল হোসেনকে নিশ্চিত করেন তারা।

সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগের ১২ অক্টোবর রাত আড়াইটা পর্যন্ত মন্দিরে পূজা সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতি ছিল। এরপর বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দু’জন নারী ভক্ত মণ্ডপে এসে হনুমানের মূর্তিতে প্রথম কোরআন শরিফটি দেখতে পান। রাত আড়াইটা থেকে ভোর সাড়ে ৬টার মধ্যে কোনো একসময়ে এক ব্যক্তি কোরআন শরিফ রেখে যান মণ্ডপে। এ সময় হনুমানের হাতের গদাটি সরিয়ে নেন তিনি। গদা হাতে তার চলে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়েছে ওই এলাকারই কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরায়।

এ ধরনেরই একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে দেখা যায়, কোরআন শরিফ রাখার পর হনুমানের মূর্তির গদা কাঁধে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন প্রধান অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সময়টি রাত তখন সোয়া ৩টার মতো।

দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিশ্চিত হয়েছেন গদা কাঁধে নিয়ে হেঁটে যাওয়া ওই ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন। আর পবিত্র কোরআন শরিফ ইকবাল এনেছিল পাশের দারোগা বাড়ি মাজার মসজিদ থেকে।

ইকবালের মা আমেনা বেগম সাংবাদিকদের জানান, তার তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে ইকবাল সবার বড়। সে ১৫ বছর বয়স থেকেই নেশা করা শুরু করে। গত ১০ বছর আগে ইকবাল জেলার বরুড়া উপজেলায় বিয়ে করেন। পাঁচ বছর আগে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। ওই ঘরে তার এক ছেলে রয়েছে। এরপর সে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়া বাজার এলাকার কাদৈর গ্রামে আরেকটি বিয়ে করে। এই সংসারেও এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইকবাল নেশা করে পরিবারের সদস্যদের ওপর অত্যাচার করতো। বিভিন্ন সময় রাস্তাঘাটেও নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়ায়। সে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে আমরাও তার কঠোর শাস্তি চাই।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© সুনামগঞ্জ জার্নাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102