জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ পরিকল্পনামন্ত্রী এম.এ মান্নান এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ এখন আর ভিক্ষুকের দেশ নয়। আমরা ভারত-পাকিস্তান থেকে অনেক বেশি উন্নত অবস্তানে রয়েছি। বিশ্বব্যাংক যেখানে টাকা দেয় নাই সেখানে শেখ হাসিনার উদ্যোগে আজকে এই স্বপ্নের পদ্মা সেতু আমরা নির্মাণ করেছি। আওয়ামীলীগ সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন ও করোনা প্রতিরোধে সচেতন ভূমিকা পালন করার কারণে মাহামারী করোনা আজ প্রায় নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমাদের করোনা নিয়ন্ত্রনের রেকর্ড অনেক বেশি সন্তোষজনক।
শুক্রবার বিকেলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় নবনির্মিত জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিকল্পনান্ত্রী বলেন, আপনারা দেখেছেন সোয়াকোটি টাকায় নির্মিত এই ভবনটি আসলেই অনেক সুন্দর হয়েছে, এগুলো আমার টাকা নয় সরকারের টাকা, জনগণের টাকা, আমার কাছে অনেক অভিযোগ এসেছে এই ট্রাস্ট নিয়ে, আমি বিষয়টি তদন্ত করার জন্য স্থানীয় ইউএনওকে বলেছি। আমি বিশ্বাস করি এই ট্রাস্টে যারা জড়িত তারা কেউই এই সামান্য এক কোটি ২৫ লাখ টাকার উপর লোভ করার কথা না! তারা প্রত্যেকেই ভালো অবস্থানে আছেন।
ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি নুরুল হক লালা মিয়ার সভাপতিত্বে ও ট্রাস্টি মহিব চৌধুরী ও মুজিবুর রহমানের যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজেদুল ইসলাম,জগন্নাথপুর থানা অফিসার ইনচার্জ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি রফিক মিয়া, আশিক চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান, পাবেল কাদের চৌধুরী, আনহার মিয়া, ছুবা মিয়া, এনামুল ইসলাম, আবুল হোসাইন, মখলুছ মিয়া চেয়ারম্যান, আফজাল চেয়ারম্যান, বকুল আব্দুস সবুর, আব্দুল হাই আজাদ প্রমুখ।
শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নানের হাতে রিসোর্স সেন্টারের চাবি ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস হস্তান্তর করেন জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি সদস্যগণ।
উল্লেখ, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মহোদয়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় জগন্নাথপুরের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকার জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টকে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেবার কথা থাকলেও প্রাথমিক ভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। বাকী টাকা পরবর্তীতে দেয়া হবে বলে জানান ট্রাস্টের ট্রাস্টিগণ।