রুপজ আহমেদ, শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জে পুলিশের নির্যাতনে অভিযুক্ত নিহত উজির মিয়ার বাড়ীতে মানবাধিকার সংগঠন “হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ ” সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির প্রতিনিধি দল।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের শত্রুমর্দন (বাঘেরকোনা) গ্রামে নিহত উজির মিয়ার বাড়ীতে যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি, সুনামগঞ্জ জজকোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবি এডভেকেট ছাইদুর রহমান তালুকদার (এপিপি), সাধারণ সম্পাদক শিক্ষানবীশ আইনজীবি সংবাদকর্মী মোঃ আবু সঈদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শিক্ষানবীশ আইনজীবি মোশাহিদ আলম মহিম তালুকদার, জেলা কমিটির চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম,শান্তিগঞ্জ উপজেলা কমিটির সদস্য মোঃ আজাদ হোসেন।
এসময় নিহত উজির মিয়ার বাড়ীতে উপস্হিত ছিলেন তাহার ছোট ভাই ডালিম মিয়া, প্রতিবেশী সেলিম আহমদ, তাহার চাচা,ভগ্নিপতি সহ অনেক স্বজনবৃন্দ। সন্তান হারানো মায়ের আহাজারী হৃদয়ে উজির মিয়াকে বাড়ী হতে গত ১০ ফেব্রুয়ারী রাতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদের নামে গভীর বাতে বাড়ী হতে ধরে আনা,নির্যাতনের পর কোটে চালান ও মুক্তি পেয়ে বাড়ীতে এসে নিজ মুখে নির্যাতনর বিবরণ এবং যন্ত্রণায় কাতরানোর একের পর এক বর্ণনাগুলো ছিল হৃদয় বিদারক! ছেলে হারানো মায়ের আহাজারীতে “হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ”(মানবাধিকার) সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি তাহার সুবিচারের দাবীতে পাশে থাকবে।
উল্লেখ্য, উজির মিয়াকে গত ২১ শে ফেব্রুয়ারী চিকিৎসার জন্য সিলেট নিয়ে য়াওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করলে এবং মৃত্যু সংবাদ এলাকায় পৌছলে পুলিশের নির্যাতনে তাহার মৃত্যু ও নির্যাতনকারী শান্তিগঞ্জ থানার এস আই দেবাশীষ সহ ৩ জনকে অভিযুক্ত করে সুবিচারের দাবীতে আড়াই ঘন্টাব্যাপী সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের পাগলা বাজারে লাশ রাস্তায় রেখে সড়ক অবরোধ করেন বিক্ষোব্দ এলাকাবাসী। পরে বিকাল ৫ ঘটিকায় জেলা প্রশাসনের উপস্হিতিতে তদন্ত সাপেক্ষে সুবিচারের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করেন এলাকাবাসী। জেলা প্রশাসনের উপস্হিতিতে লাশের ময়না তদন্ত শেষে পরদিন তাহার দাফন সম্পন্ন করা হয়।