মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভের সাক্ষাৎ যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস মালিতে জঙ্গি হামলায় নিহত ৬৪ মেসি জাদুতে বাছাইপর্বে জয় দিয়ে শুরু করলো আর্জেন্টিনা সুনামগঞ্জ রিপোটার্স ইউনিটির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি মাহবুব পীর, সম্পাদক এমরানুল হক চৌধুরী সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৩ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ৩১ আগস্ট ভোট দেশের মানুষ এই খুনিদের ছাড়বে না-প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধেই বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে-ফখরুল সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ৪ শাকিবের ‘রাজকুমার’ আগামী ঈদে ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ডলারের আধিপত্য কমানোর পরিকল্পনা সফল হচ্ছে কি লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের নতুন চ্যাম্পিয়ন বি-লাভ ক্যান্ডি রক্তে ভেজা বর্বরোচিত ২১ আগস্ট আজ দোয়ারাবাজারে খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

৫০টি মামলায় ৭০জন শিশুকে সংশোধনের সুযোগ

নজরুল ইসলাম
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
৫০টি মামলায় ৭০জন শিশুকে সংশোধনের সুযোগ - Sunamganj Journal

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জে ৫০টি মামলায় ৭০ জন শিশুকে সংশোধনের জন্য কারাগারে না পাঠিয়ে ফুল দিয়ে বরণ করে বাবা-মায়ের জিম্মায় দিলেন নারী ও শিশু আদালত।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে এ রায় দেন সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) নান্টু রায়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শিশুদেরকে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হয়েছিল। তাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মুক্তি দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেই এই রায় দিয়েছেন আদালত। লঘু অপরাধের ৫০টি মামলায় ৭০ শিশুকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে কারাগারে পাঠানোর পরিবর্তে ফুল দিয়ে বরণ করে বাবা-মায়ের জিম্মায় দিয়েছেন। ছোট একটি অভিযোগে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে হত শিশুদের। এসব অসুবিধা থেকে মুক্তি দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রেখে সংশোধনের জন্য বাবা-মায়ের জিম্মায় পাঠিয়েছেন আদালত। পরিবারের সান্নিধ্যে এসব শিশুরা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারবে। এজন্য ৬টি শর্তে আদালত মামলাগুলো নিষ্পত্তি করেন।

শর্তগুলো হলো-প্রতিদিন ২টি করে ভালো কাজ করা এবং তা তাদেরকে আদালত থেকে দেওয়া ডায়েরিতে লিখে রাখা ও বছর শেষে ডায়েরি আদালতে জমা দেওয়া। বাবা-মাসহ গুরুজনদের আদেশ নির্দেশ মেনে চলা, বাবা-মায়ের সেবা যত্ন করা ও বিভিন্ন কাজে তাদেরকে সহযোগিতা করা। নিয়মিত ধর্মগ্রন্থ পড়া এবং ধর্মকর্ম পালন করা, অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করা, মাদক থেকে দূরে থাকা, ভবিষ্যতে কোনো অপরাধের সঙ্গে নিজেকে না জড়ানো।

নারী ও শিশু আদালতের সরকারি কৌশলী (পিপি) নান্টু রায় বলেন, এই রায়ের ফলে ছোট ছোট অনেক মামলা নিষ্পত্তি হল। আদালতের দেওয়া গাইডলাইনগুলো তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। ব্যতিক্রমী এই রায়ে আইনজীবীসহ আমরা সবাই খুশি।

আদালত থেকে দেওয়া এসব শর্ত শিশুরা মেনে চলছে কি না তা আগামী ১ বছর প্রবেশন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ শফিউর রহমান পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রতি ৩ মাস পরপর আদালতকে অবহিত করবেন।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

সুনামগঞ্জ জার্নাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬  
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102