রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
ফুটবল জাদুকরের শেষ অধ্যায় ‘শিশুদের নোবেল’খ্যাত আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত দোয়ারাবাজারের জামিউল হাসান আরাফ তাহিরপুরে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরি, হাফিজুর রহমান নামের সার ব্যবসায়ী আটক ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে জসনে জুলুছে ইসলামে উগ্রবাদ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই রাজাপুরা পীরের আহ্বান ‘সুনামগঞ্জস্থ শাল্লা কল্যাণ সমিতি’র সভপতি এডভোকেট মামুন ও সম্পাদক অশেষ তালুকদার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে সুনামগঞ্জের প্রতিটি সংসদীয় আসনে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা-প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী সুনামগঞ্জে দৈনিক জনতা পত্রিকার ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়নের আহ্বান ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাছ কাটা বন্ধ না হলে বন বিভাগের সামনে অবস্থানের হুঁশিয়ারি মাদক চোরাচালান উদ্ধারকারী এসআই অভিজিৎ ভৌমিক, পেলেন বিশেষ সম্মাননা দিরাইয়ে দুই শিশু সন্তান হত্যার ঘটনায় বাবা গ্রেফতার, হত্যার কথা স্বীকারের দাবি ইউএনও জনি রায়ের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল দশম শ্রেণির ছাত্রী চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর, কর্মচারী রক্তাক্ত; আটক ১ সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ দোয়ারাবাজার থানার এসআই রিফাত

শাল্লায় সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ

সুনামগঞ্জ জার্নাল :
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০২২
শাল্লায় সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ - Sunamganj Journal

শাল্লা প্রতিনিধিঃ শাল্লায় সরকারি বিনা মূল্যের বই কেজিদরে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার হাসিমিয়া মাদ্রাসায় বরাদ্দ মাধ্যমিক স্তরের বই ওই মাদ্রাসার সুপারন্টেন্ড আব্দুল মন্নান ও অফিস সহকারি কামরুল ইসলাম বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে শাল্লা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সুপারভাইজার কালিপদ দাস কান্দিগাঁও গ্রাম থেকে বিক্রি করা বইগুলো উদ্ধার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের আধাঁরে মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারি মিলে ২০১৯-২০২০ ও ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের ৪৮০ কেজি বই গোপনে বিক্রি করে দেন। আবু সামাদ নামে স্থানীয় এক ফেরিওয়ালা ১৩ টাকা কেজি দরে বইগুলো কিনে নেন।

ওই ফেরিওয়ালা বইগুলো কান্দিগাঁও গ্রামে একটি টংদোকানের সামনে রাখলে স্থানীয়রা সরকারি বই দেখতে পেয়ে ফেরিওয়ালা আবু সামাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সুপারভাইজারকে জানানো হলে বইগুলো উদ্ধার করা হয়।

বই বিক্রির অভিযোগের প্রসঙ্গে জানতে মাদ্রাসার সুপার আব্দুল মন্নানের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো বই বিক্রি করিনি। মাদ্রাসার কয়েকটি পুরাতন টিন বিক্রি করেছেন বলে জানান।

মাদ্রাসা কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি সোহেল আহমেদ বলেন, মাদ্রাসার বইগুলো বিক্রি করা হয়েছে শুনেছি। তবে আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা। কারন আমি কমিটির লোক হলেও আমাদেরকে কোনো বিষয়ে অবগত করা হয়নি। গোপনে তাঁরা বই বিক্রি করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার কালিপদ দাস বলেন, সরকারি বই বিক্রি করা অপরাধ। ফেরিওয়ালার কাছে বিক্রি করা বিনা মূল্যের সরকারি বইগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু তালেব বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© সুনামগঞ্জ জার্নাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৬
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102