মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভের সাক্ষাৎ যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস মালিতে জঙ্গি হামলায় নিহত ৬৪ মেসি জাদুতে বাছাইপর্বে জয় দিয়ে শুরু করলো আর্জেন্টিনা সুনামগঞ্জ রিপোটার্স ইউনিটির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি মাহবুব পীর, সম্পাদক এমরানুল হক চৌধুরী সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির ২০২৩ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ৩১ আগস্ট ভোট দেশের মানুষ এই খুনিদের ছাড়বে না-প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধেই বারবার ষড়যন্ত্র হয়েছে-ফখরুল সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ৪ শাকিবের ‘রাজকুমার’ আগামী ঈদে ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ডলারের আধিপত্য কমানোর পরিকল্পনা সফল হচ্ছে কি লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগের নতুন চ্যাম্পিয়ন বি-লাভ ক্যান্ডি রক্তে ভেজা বর্বরোচিত ২১ আগস্ট আজ দোয়ারাবাজারে খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

হবিগঞ্জে ভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ ও ফসলি জমির মাটি, হুমকিতে পরিবেশ

সুনামগঞ্জ জার্নাল :
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২১
হবিগঞ্জে ভাটায় পোড়ানো হচ্ছে কাঠ ও ফসলি জমির মাটি, হুমকিতে পরিবেশ - Sunamganj Journal

অনলাইন ডেস্ক: হবিগঞ্জে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই যত্রতত্র গড়ে উঠেছে ইটের ভাটা। ফসলি জমির মাটি ও বনের গাছ উজাড় করে চলছে ইট পোড়ানোর কাজ। এতে ভয়াবহ দূষণের শিকার হচ্ছে পরিবেশ, বাড়ছে রোগ-বালাই। পাশাপাশি বিনষ্ট হচ্ছে সরকারি রাস্তা, উর্বরতা হারাচ্ছে কৃষি জমি।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ থাকলেও রহস্যজনক কারণে নির্বিকার সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, হবিগঞ্জ জেলায় গড়ে উঠেছে ১২০ ইটের ভাটা। এদের অধিকাংশরই নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। বিশেষ করে জেলার বাহুবল ও চুনারুঘাট উপজেলায় ইটভাটার সংখ্যা ৬৫। লোকালয়ের আশপাশে গড়ে ওঠা এসব ভাটা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় দূষিত হচ্ছে এলাকার পরিবেশ, বাড়ছে রোগ-বালাই। শুধু তাই নয়, এসব ইটভাটায় মাটি বহনকারী ট্রাক্টরের কারণে ধ্বংস হচ্ছে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সরকারি রাস্তা।

ইটের ভাটায় ফসলি জমির মাটি ব্যবহারের কারণে উর্বরতা হারাচ্ছে হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমি। এ ছাড়া ইটভাটাগুলোতে জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহার হচ্ছে। ফলে জ্বালানির চাহিদা মেটাতে উজাড় করা হচ্ছে এলাকার গাছগাছালি ও পাহাড়ি বনাঞ্চল।

সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে তিন কিলোমিটার দূরে অথবা নদীতীরে পতিত দেড় একর ভূমিতে ইটভাটা স্থাপন করতে হবে। সরকারি সড়ক দিয়ে নয়, বরং ইটভাটার নিজস্ব রাস্তা দিয়ে চলবে মাটি বহনকারী ট্রাক্টর। সে সঙ্গে ইটভাটায় খনন করতে হবে পুকুর। অথচ বাস্তবতা এর কোনো কিছুই মানছেন না ভাটা মালিকরা। মাটি বহনের ট্রাক্টরগুলো অনেক সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পর্যন্ত চলাচল করে। এতে জনসাধারণসহ যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ জেলায় রয়েছে ৯৯ টি ইটভাটা। তবে বেসরকারি হিসাবে জেলায় ইটভাটার সংখ্যা ১২০টি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসব অবৈধ ইটভাটায় মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালিত হলেও নেওয়া হচ্ছে না কঠোর ব্যবস্থা। যে কারণে থামছে না ইটভাটা কর্তৃপক্ষের আইন লঙ্ঘনের প্রবণতা।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, জেলায় তালিকাভুক্ত ৯৯টি ইটভাটা রয়েছে। এর বাইরে অবৈধ ইটভাটা আছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত ইটভাটাগুলোর লাইসেন্স নবায়ন হয়েছে কি-না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, নিময়নীতি মেনে ইটভাটা স্থাপন করতে হবে। এখানে অনেকেই নিজেদের সুবিধামতে ইটভাটা নির্মাণ করে ব্যবসা করছেন। এ কারণে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ।

পরিবেশ অধিদপ্তর হবিগঞ্জের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ইটভাটায় যারা কাঠ পোড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

সুনামগঞ্জ জার্নাল কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬  
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102